কাজী.এস.আর.রাশিদা
ব্যস্ততার কোলাহলে নিজ ভূম যেন
নিষিদ্ধ শহরে আজ ঘুমন্ত!
চেনা তটে পা বাড়ানো বারণ!
অস্তিত্ব শ্বাসের বিপরীতে কারাবাসে হতে চায় নিরুদ্দেশ।
জটিল সব ধাঁধা উত্তরের অপেক্ষায় হোঁচট খায়
তবুও পদ্মঝিলে,
জ্যোৎস্না নেমেছিল জলের বুকে
আলো নিয়ে স্নানের বাহানায়!
নিষেধাজ্ঞা শুধু নিষেধাজ্ঞা কুটুম্বিতায়!
রগচটা সে অভিমানী অস্তিত্ব;
কেমন যেন শান্ত হয়ে নুইয়ে গেছে
লোহুর প্রতিঘাতে।
মুখ থেকে মূক বলতে গিয়ে চুপ!
প্রশ্নোত্তরের বাকবিতণ্ডা;
ঘাত-প্রতিঘাতে পরিশ্রান্ত হয় রাত্রির আঁধারে।
উষ্ণ নোনাজল মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ
টগবগ টগবগ করে পথ খোঁজে কাতর দেহে।
জ্বলন্ত উষ্ণ বায়ু মস্তক দ্বিখণ্ডিত করে
শুধু শীতলতা খোঁজে দ্বারে দ্বারে;
বিষাদের জ্বরে যখন খুব করে হৃদয় পোড়ে
সে হৃদয় পোড়ার গন্ধ আড়ালে মুখ লুকায়
নিশীথের বালুচরে।
গন্তব্য আজ নির্জনতার গন্তব্য
নির্জনবাসে কেঁদেও হাসে
কেড়ে নিতে ছেড়ে দিতে
আট কপালে!
আটক পালে বাকরুদ্ধ!
রাবণের চিতায়
উনুনের হাসি
পরশ্রীদের তিক্ত ফাঁসি
রোজ করে খুন!
তবুও চাঁদের কলঙ্ক কাতর হয়ে
এলেবেলে উনপাঁজুরে ঠোঁটকাটায়
পরিশ্রান্ত বড্ড পরিশ্রান্ত! নরক গুলজারে
নিরবে নিভৃতে নিরবচ্ছিন্ন প্রহরে
নোনাজল কপোল ভাঙে আড়ালে আবডালে।
সবশেষে হতে চায় কারাবাসে নিরুদ্দেশ
কল্পিত সেই নির্জনের মরুভূমে
অস্তিত্ব বিলীন হতে চায়
এক দণ্ড শান্তির খোঁজে!

















