চন্দ্রাবলি

এ এক আশ্চর্য বন্ধ্যা নগরীর ভাঙ্গা কুঠুরিতে আমাদের বাস
এ এক দাঙ্গা বিধ্বস্ত আগুনে পোড়া জীবনে আমাদের ত্রাস
এ এক বিপর্যস্ত নির্বোধ সময়ের সন্ধিক্ষণে কাটা আমাদের খাস
এ এক চেতনার মন্বন্তরে কাঁপুনি পাঁজরে দিন আমাদের মাস!

রবীন্দ্রনাথ মন্ডল

ফেলে এসেছি ধ্রুব সত্যের গঙ্গা নদীর সুবিস্তৃত শক্ত পাড়
ফেলে এসেছি চওড়া বুকের মাঠ ঠাকুর দালান স্নানঘাট;
ফেলে এসেছি স্বপ্নের সবুজ বাগান আতঙ্ক প্রহরে কাঁপছে ঘাড়
ফেলে এসেছি শান্তি প্রেমের ঠিকানা রক্তে ভিজছে পথঘাট!

চন্দ্রাবলি বসেআছি ধুলিয়ান নাগরা কাটায় উৎসব দেখবো বলে
চন্দ্রাবলি বসেআছি দূর্ভিক্ষের ঘূর্ণায়মান শহরে শিক্ষা শাস্ত্র কেনাবেচা চলে;
চন্দ্রাবলি মন্ত্রজপছি কালনাগিনীর আত্মাটা যদি পড়েযায় সহসা ঢলে
চন্দ্রাবলি আমাদের ভালোবাসা অন্তহীন যদি মিশে যায় আকাশের নীলে!

ভোরের প্রথম সকালেই গ্ৰামগজ্ঞ শহর ছাইবো শিক্ষাঙ্গন হাসপাতালে
দৃষ্টির হাজারো প্রতিবন্ধকতার চিকিৎসা সুচিন্তিত পরিচর্যার অত্যন্ত প্রকৌশলে;
কন্ঠের জোড়া ক্যানসারের সমাধান জটিল রোগের পচাদূষিত চামড়াতুলে
সৃষ্টির নন্দিত অনুপম ছন্দের লাবণ্যে আমরা একসাথে হাসবোসকলে!

হুমকির রকেট মিসাইল হাইপারসোনিক এ্যাটম কোন কাজ করবেন না
রাতের অন্ধকারে বাড়ির বারান্দায় খামারে লেজার রশ্মির গর্জন ভাসবে না;
প্রতিবেশীর বাগানে মুড়িমুড়কির মতো দস্যুপিশাচের মর্টারশেল আছড়ে পড়বে না
মুখোশের কুৎসিত শাসনে জীবনের ইষ্টমন্দির গৃহদেবতা দাউদাউ পুড়বে না।

রাস্তাটা হেঁটেহেঁটেই পুরানো ঠিকানাটা খুঁজছি কুয়াশার বারুদে আচ্ছন্ন
এখানে ওখানে পর্দার আড়ালে সদাই রক্তের গোঙানি বাড়ালে;
বাস্তবটায় চোখ রাখছি দ্রুততায় জানছি মদতেমাথা রয়েছে প্রচ্ছন্ন
চন্দ্রাবলি তুমিপ্রেম তুমিমুক্তি প্রেরণার দৃঢ়শক্তি সমস্যাভেঙ্গে যুক্তিরবাণ ওড়ালে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *