সাবিহা তারান্নুম মিম : আজকে নবনীর কথা লিখতে বসলাম। হুমায়ূন আহমেদ কি সাবলীলভাবে মানবজীবনের এক নাজুক কিন্তু গভীর বাস্তবতাকে প্রকাশ করেছেন।
মূলত নবনী সেই অনুভূতির প্রতীক যা উপলব্ধি করায়, ভয় মানুষের জীবনের কত বড় ঘাতক।
উপন্যাসে দেখা যায়, একটা মেয়ের কিঞ্চিৎ ভুলেই কেমন করে পুরো ঘটনাটি পরিবর্তন হলো। অহরহ মেয়েদের এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত কিংবা বাবা-মাকে ভয়ভীতি পাওয়ার কারণে কত শত অনুভূতি টান ভালোবাসা মরে যায়।
একটা বিশেষ গুণ হুমায়ূন আহমেদের হলো মানুষের চিন্তাধারার বাইরের সমাপ্তি। আমি ভাবতে পারিনি এমনটাও হতে পারে?
কিন্তু হয়েছে!
জীবনের ছোট ছোট ভুলের কখনো বড় মাশুল গুনতে হয়। হুমায়ুন আহমেদ-এর লেখা নবনী উপন্যাস সাহিত্যের পাতায় তারই এক জ্যান্ত প্রমাণ।
উল্লেখ্য, নবনী উপন্যাস ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ‘সময় প্রকাশন’ থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
কাহিনী সংক্ষেপ: উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম নবনী। কাহিনীর শুরু হয় নবনীর বিয়ের দিন থেকে। এতে একটি জটিল মানবিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং এক গৃহশিক্ষকের করুণ পরিণতির গল্প ফুটে উঠেছে।
লেখিকা : শিক্ষার্থী, ইডেন মহিলা কলেজ,ঢাকা।




















