কাজী.এস.আর.রাশিদা
এখন আর মন-আকাশে মেঘ জমে না,শুধু আষাঢ়ী বৃষ্টির গুটি গুটি ধারার জন্ম হয়।
মন পবনে এখন আর বরফ পিণ্ডের সৃষ্টি হয় না, শুধু হিমালয়ের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
হিমাগার অক্সিজেন শ্বাসরুদ্ধ করে রোজ, পচনশীল পাঁজরের সাইড কানেকশন।
এখন আর নিঝুম নিশীথে নীল তটিনীর পাড়ে জ্যোৎস্না নামে না, গভীর ক্লান্তি নাশে নীল পারাবার বুকে বিসর্জনে স্নান নামে না।
শুধু হতাশার ব্যঞ্জনা।
নিবৃত নীড়ে এখন আর জোনাকির দল ভিড় করে না অর্ধনিশীথে লুকোচুরি খেলায়।
চুপসে গেছে সকল চঞ্চলতা নির্বাক বিজনের কথোপকথন।
হামাগুড়ি দিয়ে ওঠেও শান্ত হয়ে গেছে কাঠঠোকরার যত অবাঞ্ছিত আবদার শত রাগের বশিকরণ।
এভাবেই শান্ত হয়ে নুইয়ে যাক যুগের পর যুগ অনন্তকাল।
ব্যথারা আর মুখ না খুলুক নিরবে নিভৃতে নিভিয়ে দিক শত অনলের দাহ নিরবধি শান্ত স্রোতে বয়ে যাক শত শত অনাধিকার।
মিছিলে আর ভিড় না জমুক।
চেনা রাস্তার মোড়ে অচেনা হয়ে উঠুক এক কাপ চায়ের চুমুক।
মৃদু আলোর রঞ্জন রশ্মির আলোক সজ্জায় থমকে ওঠুক ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের যত আয়োজন।
নিরবে হার না মানুক শত অভিমান গাঢ় হয়ে পাহাড়সম হোক তার সহস্র পথচলা একলা পথের পথিক হয়ে পাড়ি জমাক তার শত যুগের পায়চারী।
তবুও ব্যথারা হাসুক প্রাণ খুলে বিশালাকার অট্টালিকায়।

















