পংকজ পাল
জোড়াসাঁকোর সুপ্রসিদ্ধ ঠাকুর পরিবারে
২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দে,
আবির্ভাব এক নবজাতকের,তার জন্যই—
মাতলেন সকলেই আশীর্বাদে ।
সেদিন বোঝেনি কেউই এই খোকাবাবুই
দূর করে সকলই সংশয়,
বীর পুরুষের বেশে সাহিত্যে লাগাম ধরে
একদিন করবে তো বিশ্বজয় !
কবিতা-গল্প, ভ্রমণকাহিনী, নাটক-প্রবন্ধ
উপন্যাস আরো লিখলেন গান,
লিখলে যেমন, তেমনি আঁকলেন, গাইলে—
পৃথিবীর মানুষের জয়গান ।
কত দিবস,কত বিনিদ্র রজনী কেটেছে
কুঠিবাড়ি ও এরই আশেপাশে,
মানুষের কল্যাণ ভাবনায়, ভালোবাসায়
ছুটলেন কবি দূর পরবাসে ।
কথার মায়াজালে ফুটিয়ে তুললেন কত—
শত চরিত্র, কত বাস্তবতাই !
হৈমন্তী,ফটিক, উপেন,আনন্দী,নিরুপমা
বোষ্টমী,কাদম্বিনী,কুমু,বলাই ।
গীতাঞ্জলির জন্য ১৯১৩ সালে,নোবেল—
পেলে; সুইডিশ একাডেমি থেকে,
এশীয়দের মধ্যে প্রথম নোবেল প্রাপ্তিতে
বাঙালি গর্ব বাড়লো দিকে দিকে।
গড়লে বিশ্বভারতী,শান্তিনিকেতন আরো
মানুষের জন্য কত আয়োজন !
জাতীয় সংগীত, উৎসব, ফ্যাশনসহ—
বিশ্বের জন্য ভাবলে আমরণ ৷
১৩৪৮ বঙ্গাব্দে ২২ শ্রাবণ চলে গেলে
ক্ষয়শীল পৃথিবীর মায়া ছেড়ে,
যতদিন থাকবে বাঙালি তথা বিশ্ববাসী
তোমায় শ্রদ্ধা জানাবে বারেবারে।





















