চৌধুরী রুহাশ
চোখটা পোড়ায় কেন — এই প্রশ্ন যখন রাতের বুকে ফুটে ওঠে,
বুঝি লবণ শুধু সমুদ্রে নয়,
জমে থাকে চোখের কোণেও।
পোড়া চোখ নিয়ে সমুদ্রের দিকে হাঁটো — ঢেউয়ের কোলে মাথা রেখে কান্নাগুলো ধুয়ে নাও,
যেভাবে বৃষ্টি ধুয়ে দেয় পোড়া মাটির ক্ষত।
বুকের ভেতর একটা শহর আছে— নিঃশব্দ,ধুলোমাখা।
স্বপ্নগুলো চোখের ঝুলবারান্দায় বসে কাঁদে একা।
আকাশজুড়ে শঙ্খচিলেরা ডানা ভেঙে উড়ে যায় শোকের সুরে,
আর সেই কান্না বাতাস ছুঁয়ে ছড়িয়ে পড়ে অন্ধকারে।
সমুদ্র কি তোমার সন্তান, নাকি তুমি নিজেই তার একটা ঢেউ?
বালুচরে এসে আবার,
অতল জলে হাত ডুবিয়ে দাও — সফেদ ফেনার মতো নিজেকে ভাসিয়ে দাও তারপর…
আমি তোমার কান্না কুড়াই, ভাঙা ঢেউয়ের নৃত্য শিখি। কান্না দিয়ে গান বানাই, কান্না দিয়ে আগুন লিখি — লবণজলে ডুবে ডুবে যে কবিতা জন্মায়,
সে কবিতা পোড়ায়।
চোখ কেন পোড়ে এত — এর উত্তর হয়তো ঢেউ জানে। শুধু জানি — পোড়া চোখ নিয়ে সমুদ্রে যাও।
হে পোড়া চোখে লবণ মেখে সব শোক সাগরকে দিয়ে দাও।
লেখকের মতামত : (সঞ্জীব চৌধুরীর গান অবলম্বনে) এ কবিতা।





















