দানবের ছায়া


সুধীর বরণ মাঝি

ধর্ষক তুমি মানুষ!
ভাবতেই ঘৃণায় গা শিউড়ে উঠে।
তোমার রক্ত কি লাল
তুমি কি শোনো নিপীড়িত আর্তনাদ
কীসের এত বিকৃত উল্লাস তোমার ?
চিৎকার চাপা পড়ে দেয়ালের ফাঁকে
তুমি মানুষের মুখোশ পরা দানব!
তোমার স্পর্শে ঝলসে যায় সততা
তুমি অন্ধকারের অভিশাপ।
স্বপ্ন ভাঙে রক্তের দাগে।
পাপের অন্ধকারে ডুবে থাকা
অন্ধকারই কি তোমার ঠিকানা?
ধর্ষক তুমি কি আনন্দিত ধর্ষণে
তোমার মগজের চিন্তার কুরুচির বহিঃপ্রকাশ
স্তম্ভিত লজ্জিত মনুষ্যত্ব মূল্যবোধ নৈতিকতা।
কেন করো তুমি অমানবিক হিংস্রতা
আতঙ্ক, লজ্জা, ব্যথার দলা—
কিছুই কি ছোঁয় না তোমার অন্তর?
শুনতে পাও না বিবাগী আত্মার আর্তনাদ?
একটি প্রাণের চিৎকার, একটি স্বপ্নের মৃত্যু,
তবু কি সুখ খুঁজে পাও সেই নিষ্ঠুরতা?
রক্তে ভেজা শরীর কি শান্তি দেয় তোমায় ?
অশ্রু-ভেজা চোখ কি কখনো তাড়া দেয় না ?
ভোরের আলোয় আয়নায় তাকিয়ে দেখো,
সেখানে কি মানুষ, নাকি দানবের ছায়া?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *