রানা সোহেল মেঘদূত
প্রিয়তর কোনো কবিতার লাইনে হাতড়ে খুজি
প্রিয়তর বর্ষায় খুজি অনির্বার। কোথাও পাইনা সে সুশীতল মায়ারুপ।
কোথাও পাইনা
সে উজ্জল আভা।
তোমার আঙুলের ডগায়
লেপ্টে আছে শিশিরের মতো সেই অনিন্দ মোহ।
তোমার ঠোঁটে কিংবা নিথর চিবুকে অমিমাংসিত কামনার আগুন।
যা খুজেছি চিরকাল
তন্ন তন্ন করে সর্বত্র।
খুজেছি অতলে শতদলে
কিছু ভাবনার টুকরো রং। খুজেছি কৃষ্ণচূড়ার দাহে
রোদের চিত্রপট।
নিরন্তর ডুব দিয়ে
হাতড়ে খুজেছি
শামুক জলডুবু শব্দমালা।
কিছু ভালোবাসা কিছু স্পর্শ কারো হাতের।
তন্ন তন্ন করে খুজেছি
সে চাহনি।
কোথাও পাইনি এমন
বেদুঈন উন্মাদনা।
পোড়ামাটির শিলালিপির মতো পড়ে থাকি প্রাচীন মমিতে।
পাই বা না পাই,,
অনির্বার ভালোবাসা
দুরন্ত ষাঁড়ের মতো ছুটে চলছেই গহীনে।
গভীরে আরো তীব্রতায়।
কে কোথাও খুজেছে এমন মাতাল করা ভালোবাসা?
কো কোথাও খুজেছে এমন উন্মাদ প্রেমে হন্তদন্ত হয়ে সর্বত্র? আমাকে চাবুক মারে বিষাদ আমাকে চাবুক মারে দুঃস্বপ্ন। আমাকে চাবুক মারে শুন্যতা। আমি কেন এমন ভাবুক,
এমন ভাবুক,
তোমার গহীনে তোমার গভীরে আরো আরো গভীরে।
আর এই গভীরতা,
এই গহীনতা
এই খোজাখুজি শেষ হয়না। অনন্তকালের সে অন্ধ যাত্রা।।
আমি সে অন্ধ পথিক।
পথ হাটি সে পথ হারিয়ে।





















