নায়িমা আখতার
ভেবেছিলাম তুমি তপ্ত রোদে শীতল ছায়া,
বুঝিনি ওটা ছিল কেবল এক ছলনাময় মায়া।
বিশ্বাসের সেই পবিত্র ঘরে ছড়ালে তুমি কালি,
উপহার দিলে কেবল এক বুক ঘৃণার অঞ্জলি।
চাঁদের স্নিগ্ধ আলোয় যাকে একদিন সাজিয়েছিলে রাণীবেশে,
আজ তাকেই ছুড়ে দিলে এক নীল বিষাক্ত অভিলাষে।
উচ্চাসনে বসিয়েছিলে যারে পরম মমতায় নিজের বাহুতে,
তারে ডুবালে আজ চরম অপমানে, ওই দুহাতে।
বিশ্বাসের প্রতিটি ইটে গেঁথেছিলাম যে মায়ার প্রাসাদ,
এক নিমেষে দিলে তুমি তার অকাল অপমৃত্যুর সংবাদ।
মর্যাদা ছিল যেথায় মুকুট, সেথায় আজ অবিশ্বাসের কাঁটা,
হৃদয় জুড়ে বইছে এখন নিদারুণ এক অসম্মানের ভাটা।
প্রতিটি প্রতিশ্রুতি আজ যেন এক একটি ধারালো ছুরিকা,
হৃদয়ে লিখে দিলে তুমি আমার অমর্যাদার কবিতা।
গভীর এই যাতনার নদী কোনোদিনও হবে না তো পার,
বিশ্বস্ততার বিনিময়ে কেবল মিলল এই লাঞ্ছনার হার।
পুতুল বলে ডাকলে মোরে বানালে পাষাণ প্রতিমা!
অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি আমি, নেই কোনো কূল-কিনারা,
অসম্মানের বিষে নীল হয়ে আমি আজ এক নিঃস্ব দিশাহারা।





















