রানা সোহেল মেঘদূত
বেহায়া মনটা কেমন জানি বেহুদা কাঁদে।
ভালোবাসতে বাসতে
ভেসে যাই চোখের জলে।
গভীর রাতে কিংবা বন্য দুপুরে।কান্নার জল শুকোতে শুকোতে পুনশ্চ কান্নার মিছিল।
তার না না না শব্দাবলী, তার ভালোবাসি শব্দটি উচ্চারনে,
ডাকবার অনীহা আমাকে আর মনটাকে বিষিয়ে মারে।
বেহুদা বসে থাকা অপেক্ষা।
একদিন ডাকবো একদিন সময় দেবো
একদিন,,,,
সে একদিন আর হয়ে উঠেনা তার।
নিয়ত অবহেলার মতো গুমট মুড তার
জ্বলে উঠে দেয়াশলাই কাটি।
আধপোড়া সিগারেটে সন্ধা কিংবা ঘুমভাঙা রাতের চাদরে হামাগুড়ি খায়।
কবিতার পদাবলীতে বিষাদের প্রলয়।
তার ডাক আসেনা।।।
তার ভালোবাসি হয়না বলা।।আমি খোজ নিতে মরিয়া-খেয়ছো,?ফিরছো বাসায়,,
এসব তার কাছে বেহুদা।
এতোকাল তবু একটু হাত ধরে কোথাও হাটবো সে সময় বা সে দায় তার নেই।
উদাসিনতায় আমাকে সরিয়ে দেয় দুঃস্বপনে,,,একলা,
মনটা কেমন পাগল,,
তবুও মনটা এতো ভালোবাসতে শিখেছে তাকে।
ভালোবাসতেই হবে!বেহায়া মনটা।
অথচ বিক্ষুদ্ধ আবেগ সব চুরমার করে ছিঁড়ে ফ্যালে রং কবিতা
ক্যানভাস।
তার তাতে কিচ্ছু যায় আসে না।তার এ
উদাসিনতার করাতে আমাকে ক্ষত বিক্ষত করে।।
ক্ষরণ হৃদয়ে।
ক্ষরণ আবেগে
প্রেমে।
এমন কেন সে?
কেন বুঝে না সে?
পৃথিবী নাকি ফেরত দেয় সব।
কই আমিতো পাইনা ভালোবাসা।
দেবী সম্বোধনে ডাকি,,
নিশ্চুপ দেবী।উদাসিন জবার কদাচিৎ-হুম।
দেবী কি পাথর?
অবহেলায় একদিন ফলজ বৃক্ষ
চৌচির হয়।
হয়তো ভালোবাসাও।
চোখে অন্ধকার নিয়ে দ্যাখো দেবী,
জোছনা নিয়ে বসে আছি।
চোখে তৃষ্ণা নিয়ে ডাকো দেবী,
জলজ মেঘ ঝরাবে জল।
কোনো এক দুপুরে দেবীর সাথে মুখোমুখি আলাপন।
বহু কথা,,,কবিতা গল্প রুপা,,
স্কুলের বেঞ্চিতে মেঘা নাম আঁকা।
দেবীর মন খারাপের দুপুরে রিক্সা ভ্রমণ,,
এভাবে,,
তারপর দীর্ঘ সময় যোগাযোগহীন।
খুজি মনে মনে।
একদা তার খোঁজ মেলে। ডানা মেলে প্রেম।
মুগ্ধতা নিয়ে শ্রদ্ধা মায়া নিয়ে দেবীকে ভালোবাসবার পাগলকরা আবেগ।
কত দিন কত মাস যায়,,,
ডাকি,,, ইচ্ছে হলে মেঘ নামে ডাকে
অনিচ্ছাতেও,,
কখনোবা অপেক্ষায় রেখে আর দাঁড়ায় না সাথে।
তার উদাসিনতার তার এমন খামখেয়ালী ইচ্ছেগুলো আমাকে মারাত্মকভাবে মারে।
কান্নার ভেতর জড়ো হয় বিষন্নতার সিগারেট।
নিকোটিনে জমে ছাইদানী।
ফুল ঝরা সকালে ঘুম ভাঙা চোখ তার ম্যাসেজ খুজে।
নেই।
সারাদিনমান অভিমান গুমট।
সন্ধাটা আগুন লাগা কষ্টের।একাকী।
ভালোবাসাহীন
মরি মরি বেঁচে থাকার দিনগুলো
আমাকে আষ্টেপিষ্টে রাখে।
দেবী
ভালোবাসি,,,মনটা তোমাকে ভালোবাসতে শিখেছে নিপুণ ভাবে।
এ শেখাটা জীবনের শ্রেষ্ট মহৎ শিক্ষা।
ভালোবাসতে জানি বলে আজ
চোখটা পাথর হয়ে যায়নি।
জল ঝরে,
মনটা পাথর হয়ে যায়নি
ব্যাথা পায়।
জীবনটা রোবটিক হয়ে যায়নি
কষ্টের ভেতর চলতে
হা হুতাশের ভেতর দাঁড়াতে
হাত বাড়ায় তোমার দিকে।
ভালোবাসায়
তোমাকে দেবী ধ্যানে কামনা
তোমাকে নমস্য,,
ভালোবাসা মানুষকে যতটা হারানোর গল্প বলে
তার চেয়ে বেশী গোপন পাওয়ার গান।
(ভালোবাসতে পারাটাও যে মহত্তম প্রাপ্তী)
তোমাকে ডাকি
তোমাকে ভালোবাসি।
তুমি বাঁচো বা মরো
তুমি সাড়া দাও বা না দাও।
দেবী!!!দেবী!!ও ভালোবাসার দেবী!!!
ভালোবাসার ডাক চিরকালের,,,।
সাড়া নেই,,,
দেবী কি পাথর??
প্রেমিকেরা পাথরেও যে ফুল ফুটাতে উন্মাদ।চিরকাল।





















