সাকিব আহমেদ
পৃথিবীর রূপবতী মেয়ে গুলো ভিষণ বোকা হয়। তারা তাদের সুন্দর্য কে সঠিক ভাবে সংরক্ষণ রাখতে পারে না। সবে মাত্র সল্প পরিমাণে কিছু রূপবতী মেয়ে তাদের সুন্দর্য কে সংরক্ষণ রাখতে পারে।
প্রকৃতি সবাই কে সুন্দর রূপ দেয় না, শুধু মাত্র নষ্ট মানসিকতা সম্পূর্ণ মেয়ে গুলোকে প্রকৃতি এমন রূপ উপহার দেয়। তবে কিছু মেয়ের জন্য বিষয় গুলো ভিন্ন হয়। কথা গুলো অসাধারণ রূপবতী মেয়ে গুলোর জন্য বলা, যারা অসাধারণ রূপবতী কথা গুলো শুধু মাত্র তাদের জন্য।
আমার দেখা সব থেকে সুন্দর মেয়েদের মধ্যে একটি মেয়ে’র নাম আঁখি বয়স ২৫ কি ২৬। আঁখির সুন্দর্যের বর্ণনা কি ভাবে দেব বুঝতে পারছি না! মেয়েটি অসম্ভব রূপবতী, ফরসা।
কিছু মেয়ে’র মধ্যে প্রকৃতি এমন কিছু সুন্দর্য লুকিয়ে রাখে যা ব্যাখ্যা করা খুব কষ্টকর, আঁখিও সেই ক্যাটাগরি’র একজন রূপবতী মেয়ে। ছোট্ট ছোট্ট চোখ, গোল মুখ,গোলাপি ঠোঁট। ঠোঁটের কোনায় একটি তিল।
আঁখির সাথে আজ আমার প্রায় ৪ বছর পর দেখা এই অবস্থায় আঁখির সাথে আমার দেখা হবে কখনও কল্পনা করতে পারিনি!
এখন রাত ১২ টা ৪১ মিনিট আঁখি আঁধারে ঝিম মেরে স্বপ্নের রাজ্যে নিঃসরণ হয়ে বসে আছে, নাক দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে।
চারপাশে অন্ধকার বেলকনিতে রূপবতী একটি মেয়ে ঝিম মেরে পড়ে আছে হাতে সিগারেট, পাশে চায়ের কাপ।
তার ঝিম মেরে পড়ে থাকার কারণ সে নব্বই দশকের জনপ্রিয় ড্রাগ এফেক্টেড । এটি নারকোটিক এনালজেসিক অর্থাৎ ব্যাথানাশক ওষুধ। একে বলা হয় ‘ডাউনার ড্রাগ’ কারণ এটি খেলে ঝিম মেরে থাকে। এই ঝিম মারা পদার্থ কে ফার্মেসি ভাষায় বলা হয় ডায়ামরফিন!
সত্যি কিছু মানুষ অদ্ভুত রকমের হয়ে থাকে। কিছু মানুষ ব্যাথানাশক ওষুধ ব্যাবহার করে শারীরিক ব্যাথা দূর করতে অন্য দিকে কিছু মানুষ একই পদার্থ ব্যাবহার করে মনের ভেতর লুকানো ব্যাথা দূর করতে। তবে আঁখি কেন ‘ডাউনার ড্রাগ’ আসক্ত এ কথা আমার জানা নেই ।
আঁখি চোখের ইশারায় তার কাছে ডাকল পরনে কালো শাড়ি। ঠোঁটে লিপস্টিক চুল গুলো আগলা, হাওয়ায় দোল খাচ্ছে। আঁখি ঝিমুতে, ঝিমুতে সিগারেট খাচ্ছে।
কাছে যেতেই আঁখি সিগারেট খাওয়ার স্পিড বাড়িয়ে দিল। মানুষ তখনই সিগারেট খাওয়ার স্পিড বাড়ায় যখন সে খুব টেন্সিত থাকে। তবে আঁখি কি এখন খুব টেন্সিত? এর উত্তর আমার জানা নেই। সাকিব সিগারেট খাবে? না ইচ্ছে করছে না। তুমি আমাকে খুব ভালোবাসতে? জানা নেই । আচ্ছা তোমার স্ত্রী তোমার খুব কেয়ার করে? হু। আমাকে এখন তোমার একটুও মনে পড়ে না? জানা নেই। সাকিব। হু। আমার সাথে একটা সিগারেট খাবে। চুপ চাপ আঁখির দিকে তাকিয়ে আছি।
কিছু মানুষের অযথা কষ্ট থাকে তার মধ্যে এখন আমিও একজন ব্যাক্তি। আমার মনে হয় আমি এখন আঁখির জন্য অযথা কষ্ট পাচ্ছি, যে কষ্ট পাওয়ার কোন যুক্তি নেই।
সাকিব। হু। আমি অনেক খারাপ তাই না? না। আচ্ছা তুমি কি জানো আমি প্রচুর নেশা করি। হু। জানো আমি কিসের নেশায় আসক্ত। হু, হেরোয়িন। আমার সম্পর্কে তোমার কি সব জানা আছে। হু। তা হলে আমার সাথে দেখা করতে এসেছো কেন? আমি কোন কথা বলছি না।
পৃথিবী অনেক নিষ্ঠুর এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে কিছু প্রশ্ন থাকে যার জবাব হয় না।
আঁখির চোখে কিছু একটা উঁকি দিচ্ছে। আমি কি বলব বুঝতে পারছি না। আঁখি এখন অনেক রাত ? হ্যাঁ। আচ্ছা এখন কি তুমি একটু গোসল করতে পারবে। হু।
আঁখি বাথরুম এ গোসলে গেল। আমি একা, একা বেলকনিতে চাঁদ দেখছি। আজকের চাঁদটা অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে তবে একা,একা চাঁদ দেখতে তেমন ইন্টারেস্টিং নেই। আমি আঁখির রুমে গিয়ে বসলাম। আঁখির রুমে তেমন কেও আসে বলে মনে হচ্ছে না। সব জায়গায় ধুলো জমে আছে।
আঁখির রুমে একটি খাট, পড়াল টেবিল, একটি চেয়ার, দেয়ালে অনেক পেন্ডিং এই পেন্ডিং গুলো আঁখির আঁকা। আঁখি খুব সুন্দর পেন্ডিং করতে পারে।
টেবিলে রাখা কমলা কালার একটি নোট। নোটে খুব সুন্দর ভাবে লেখা,,
আজ ১০’ই জুন এই দিয়ে সাকিবের নামে ৯’টা চিঠি দেওয়া হলো। এখন পর্যন্ত সাকিবের কোন চিঠির উত্তর পাইনি, তার কোন টেলিফোন নম্বর আমার কাছে নেই। জানিনা ছেলেটা কেমন আছে। ছেলেটাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে এর জন্য তাকে এতো চিঠি দেওয়া। সে কি আমার নয়_নম্বর চিঠি পেয়ে আমার সাথে দেখা করতে আসবে! অবশ্যই আসবে। পৃথিবীতে যদি আমাকে কেও ভালোবেসে থাকে তবে সাকিব এর মধ্যে অন্যতম। আজ আমি সাকিব এর জন্য প্লানচেট করেছি, প্লানচেট থেকে জানতে পেরেছি সে ১৬’ই জুলাই গভীর রাতে আসবে। পরনে থাকবে সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট, কালো জুতো। অনেক রাতে কলিং বেলের শব্দে আমার নেশা কেটে যাবে। আমি গেট খুলতেই দেখব সাকিব এসেছে। কিন্তু আমি তো নেশা করি সে আমাকে দেখে ভয় পাবে নাতো? না ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। কেও কাও কে ভালোবাসলে সে যতো ভয়ংকর হোক না কেন ভয়ের কোন কারণ থাকে না।
আঁখির নোট পড়ে আমি কিছু টা পুলকিত । বাকি নোট গুলো পড়ার তেমন ইচ্ছে করছে না। ঘর থেকে বের হয়ে বেলকনিতে গিয়ে সিগারেট খাচ্ছি।কপালে বিন্দু, বিন্দু ঘাম জমতে শুরু করেছে। আজকের চাঁদটা সত্যিই অনেক সুন্দর । এখন তেমন জ্যোৎস্নার আলো নেই। চাঁদের এক পাশে একটি তারা, তারাটি চাঁদের খুব কাছাকাছি তবে ব্যাপার টা এ রকম,, একটু-খানিকের জন্য তারাটি চাঁদকে স্পর্শ করতে পারছে না।
হঠাৎ আঁখি এসে হাজির পরনে নীল শাড়ি কপালে টিপ,ঠোঁটে গারো লিপস্টিক। আশ্চর্য ব্যাপার আঁখি ব্লাউজ পড়েনি, ব্লাউজ ছাড়াই মেয়েটিকে একটু বেশি রূপবতী লাগছে।
গোসল শেষে মেয়েটির নেশার ঘোর অনেক টা কমেগেছে! হালকা, হালকা নেশার ঘোরে আঁখি আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
সাকিব। হ্যাঁ। আমার খুব মাথা ব্যাথা করছে, তুমি কি আমাকে একটু ঘুম আনিয়ে দিবে? আমি কোন কথা না বলে আঁখির রুমে গিয়ে বসলাম। আঁখি আমার দিকে তাকিয়ে আছে,কোন কথা বলছে না। সত্যি আঁখিকে খুব সুন্দর লাগছে।
সাকিব। হু। ব্লাউজ ছাড়া আমাকে কেমন লাগছে? জানি না। আমাকে কি তোমার স্পর্শ করতে ইচ্ছে করছে না? না। আঁখি চুপ,চাপ বিছানায় বসে , সিডি চালিয়ে দিল সিডিতে গান বাজছে – (আমি কখনো যায়নি জলে,কখনো ভাসিনি নীলে, কখনো রাখিনি চোখ ডানা মেলা গাংচিলে। আবার যেদিন তুমি সমুদ্র স্নান-এ যাবে আমাকেও সাথে নিও নিবে তো আমায় বলো নিবে তো আমায়…….) সাকিব। হু। সত্যি তুমি খুব ভালো ছেলে, আচ্ছা তোমার স্ত্রী কেমন আছে? ভালো। তোমার স্ত্রীর নাম টা যেন কি? নাতাসা । খুব সুন্দর নাম। হু । তোমার স্ত্রী খুব সুন্দর । হু,আমি কি এখন যেতে পারি? হ্যাঁ যাও, পাশের ঘরে তোমার বিছানা করা আছে।
আমি আঁখি মেয়েটাকে নিয়ে খুব টেন্সনে আছি, এ পর্যন্ত ৪ টা সিগারেট শেষ। পৃথিবী রহস্যময়, প্রকৃতি রহস্য নিয়ে খেলা করতে খুব পছন্দ করে এই জন্য পৃথিবীর প্রত্যেক টা জিনিস রহস্যে ঘেরা হয়।
আঁখির নোট গুলো পড়ে আমার মনে হচ্ছে আঁখির ই-এসপি পাওয়ার আছে, যে কারণে আঁখি ভবিষ্যৎ কিছু কথা নোট করেছে।
আমি পাশের রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লাম পরদিন খুব ভোরে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। আঁখির রুমে গিয়ে বসলাম। আঁখির পাশে বসে সিগারেট খাচ্ছি। জানালার ছিদ্র দিয়ে হালকা সূর্যের আলো দেখা যাচ্ছে, কিছুটা আলো আঁখি মেয়েটার মুখে এসে পড়ছে, সূর্যের আলোয় মেয়েটা মুখ ভেটকাচ্ছে।সূর্যের আলোয় আঁখিকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। জানালা খুলে দিলাম সূর্যের আলোয় আঁখির ঘুম ভেঙ্গে গেল।
সকালে আঁখি আলুভর্তা, শুটকিভর্তা, ডাল রান্না করল। আঁখি খুব ভালো আলুভর্তা করতে পারে! সকালের খাওয়া শেষে, হঠাৎ আঁখি মেয়েটা উধাও হয়ে গেল। আমি খুব টেন্সনে পড়ে গেলাম। কি করব বুঝতে পারছি না মাথায় তেমন কাজ করছে না। এখানের থানা, পুলিশ তেমন চেনা নেই। থানা, পুলিশ করতে গেলে আরেক সমস্যায় পড়ে যাব। বাসায় পুলিশ আসবে, আঁখির প্রতিবেশীদের থেকে খোঁজ নিবে। আমার ব্যাপারেও তল্লাশি করবে। আমি কে, এখানে কি করে এলাম? অনেক ঝামেলা পরিশেষে আঁখিকে না পাওয়া গেলে পরদিন পত্রিকায় আমার ছবি ছাপা হবে, নানা জনে নানা কথা বলবে কি দরকার থানা, পুলিশ করার!
মাথা কাজ করছে না। মাথা কাজ করার তেমন কারণও নেই। আঁখি এরকম ঝামেলা করবে জানা ছিল না। জানা থাকলে হয়তো এখানে আসা হতো না।
সিগারেট খেতে,খেতে বেলকনিতে গিয়ে বসলাম টেবিলে একটি লাল রঙের চিরকুট, চিরকুট এ লেখা –
সাকিব,
অভিমান, অভিমান, অভিমান –
কিছু অভিমান থাকে, যে অভিমান গুলো সবার সাথে মানায় না।
আমি তোমাকে না বলে বাসা থেকে বের হয়ে এসেছি এর জন্য আমি খুব দুঃখিত।
টেন্সনের কোন কারণ নেই আমি ঠিক সময়ে চলে আসব।
ইতি,,
আঁখি ।
এদিকে ২ দিন কেটে গেল আঁখির কোন খোঁজ নেই। সারা দিন টেলিফোনের অপেক্ষায় থেকেও কোন লাভ হলো না। কেও টেলিফোন করছে না। এবার আমার কি করা উচিৎ ভেবে পাচ্ছি না!
তৃতীয়দিন রাতে বেলকনিতে বসে আছি। হাতে সিগারেট নিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি। সামিউর সাব্বির (Samiur Sabbir) নামের একজন ভদ্রলোক এসেছে আঁখির সাথে দেখা করতে।
লোকটি দেখতে অনেক ভদ্র, তাকে এক কাপ চা দেওয়া হলো, এখনও সামিউর সাব্বির কে বলা হয়নি আঁখি বাসায় নেই। লোকটি খুব মনোযোগ দিয়ে চা খাচ্ছে।
আচ্ছা আঁখি ম্যাম কে একটু ডেকে দেওয়া যাবে? এতো রাতে আঁখির সাথে আপনার কি কথা আমাকে বলতে পারেন। আপনার পরিচয় টা পেতে পারি? আমি সাকিব আহমেদ। আপনি কি আঁখি ম্যাম এর হাসবেন্ড? হু। আঁখি ম্যাম এর একটা পার্সেল এসেছে। আমাকে দিতে পারেন!
সামিউর সাব্বির আমার হাতে একটি পার্সেল রেখে চলে গেল। এতো রাতে কেও পার্সেল দিতে আসবে ব্যাপারটা আমার কাছে খটকা লাগছে।
পার্সেলটি খুলে দেখা হলো। আমার মনে হয় পার্সেলের ভেতর থাকা পদার্থের সাথে আঁখি খুব পরিচিত নয়। ইদানীং আঁখি ডায়ামরফিন এ কেন অভ্যস্ত এটা আমার জানার খুব প্রয়োজন। কি করব বুঝতে পারছি না, তা হলে এখন আমিও কি ডায়ামরফিন ব্যাবহার করে দেখব!
এখন অনেক রাত আমার প্রচন্ড ঘুম পাচ্ছে। আমিও আঁখির মতো বেলকনিতে বসে আছি পাশে চায়ের কাপ, ঝিমুতে ঝিমুতে সিগারেট খাচ্ছি।
আমার এখন মনে হচ্ছে – আঁখি হিস্টিরিয়া রোগে আক্রান্ত। আসলে আঁখি খুব ভালো একটি মেয়ে সে ‘ডাউনার ড্রাগ’, হেরোইনে আসক্ত না। হিস্টিরিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিরা নিজের অজান্তে অসুস্থতার ভান করে। আঁখিও তেমনি আমার সাথে নেশা করার ভান করছে।
আঁখি মেয়েটি খুব ভালো মনের একজন মেয়ে। প্রকৃতি আঁখিকে বিশেষ কিছু ক্ষমতা দিয়েছে, আঁখি যার অপব্যবহার এর অনেক প্রসেস করেছে। আচ্ছা আমার কি আঁখিকে Psychologists দেখানো উচিৎ?
আচ্ছা আঁখি ‘সাইকোসিস’ নাকি ‘নিউরোসিস’ রোগে আক্রান্ত?
আঁখি কোন রোগে আক্রান্ত এটা আমার জানা নেই।
চারপাশে সুনসান, কোন শব্দ নেই। আমি একা আঁধারে বসে আছি। কলিং বেলের শব্দ মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। কেও একজন কলিং বেল বাজিয়েই যাচ্ছে। আচ্ছা তা হলে কি এতো রাতে আঁখি এসেছে?
আঁখি ছাড়া এতো রাতে কেও আসার কথা না। আমি কি দরজা খুলে একবার দেখব, কে এসেছে?
আচ্ছা যদি আঁখি আসে তবে আজ আঁখি কি রঙের শাড়ি পড়বে?
আঁখি আজ আবার নেশা করেনি-তো ? আমায় খুব দ্রুত আঁখিকে Psychologists দেখাতে হবে।
দরজা খুলে দিলাম,, আঁখি কালো রঙের একটি শাড়ি পড়েছে, কালো টিপ পড়েছে, ঠোঁটে লাল লিপস্টিক পড়েছে আঁখিকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। আজও আঁখি ‘ডাউনার ড্রাগ’, হেরোইনে নেশা করেছে। তবে আশ্চর্যের একটি ব্যাপার আজ আঁখি সিগারেট খাচ্ছে না, সে বেলকনির এক কোনায় ঝিমুচ্ছে আমি আঁখির দিকে তাকিয়ে আছি।
এখন অনেক রাত আমার খুব ঘুম পাচ্ছে, আঁখি ঘুমিয়ে পড়েছে আঁখিকে, আঁখির রুমে নিয়ে শুয়িয়ে দিলাম আজ আঁখিকে একা রেখে যেতে ইচ্ছে করছে না, আচ্ছা আমিও কি আঁখির সাথে এই আঁধারে তন্দ্রায় নিঃসৃত হয়ে যাবো!
যদি আমি আঁধারে আঁখির সাথে হারিয়ে যাই তবে নাতাসার কি হবে? কিন্তু সত্যিই কি আমার জীবনে নাতাসা নামের কেও আছে!





















