মানছুরা শারমিন
কাগজ, কভু যদি কথা কহিতে-
কত সাহেবের মুখোশ খুলিত,
বাবুগিরী ঘুচে যেত।
কাগজ – নিরবে কত সহেছো অনাচার
বোবা বেশে, শ্বাস-রোধে রেখেছ বরাবর-
কতনা সাধুর ঐ মেকি-লেবাশ।
কেরানি হতে ক্যাশ অফিসার
উকিল হতে সাব-রেজিস্টার,
কাছারি হতে কাঠগড়াতে
লালফিতে আর উৎকোচের ভীড়ে-
কত প্রাণ চাপা পড়ে রয় পিছে,
কেউ কোনদিন দেখেছে ফিরে?
অলি-গলিতে পাঠাশালার ঠাসাঠাসি
বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতির ছড়াছড়ি,
কলমে-কেতাবে,বিচারক আর মৌলভিতে
সভ্যতা আজ উপচে গেচে সমৃদ্ধিতে!
চারপাশে তবু দেখনা চেয়ে
মুনাাফাখোর -আড়তদারদের হুমরাহুমরিতে
কালোবাজারি আর লুণ্ঠনের এক সয়লাব ধ্বনি -বাজে।
কাগজ হঠাৎ মম পানে
ক্ষীণ স্বর আখ্যান করে –
ভালো কর্মের সঙ্গী হলে
খাবে বাটার পান।
বুরার সঙ্গে কাঁধ মিলালে
কাটিবে দুই কান।
মরণ কেবল দেহ পঁচাবে
মানবাচরণ রয়ে যাবে,
অসাধুদের ঘৃণা তাড়াবে-
সদগুণ ফুটে রবে।
জীবন তোর শিল্প হবে
জ্ঞানে যদি সুনীতি থাকে
নীতিহীন জ্ঞান আসেনা পরোপকারে
বিদ্যারে লও সদগুণে
পটল তুললে আননে তোর ফুল-চন্দন পাবে।





















