হুসাইন আহমাদ
পূর্ব দিগন্তে কালো রেখা ঘুচে সাদায় পরিনত হয়েছে। এদিকে মুয়াজ্জিনের সুরে আজানের ধ্বনি “আসসালাতু খয়রুম মিনান নাউম”। আজান শুনে মা বাবা দুনোজন ঘুম থেকে উঠে অজু করে বাবা মসজিদে নামাজ পড়তে চলে গেছে, এদিকে মা জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজে দাড়িয়ে গেছে। নামাজ শেষে তাজবিহ-তাহলিল পাঠ করে জায়নামাজটা ভাজ করতে করতে গাম্বির সুরে মিষ্টি করে আমাকে ডাকছে “ওঠ বাবা মক্তবে যাবি ওঠ”।
সকালের সূর্যের কিরন, পাখির কিচিরমিচির ডাক, নিশি ভেজা ঘাস ফুল, কিযে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। এদিকে আবার নাঙল কোদাল হাতে করে কৃষকের মাঠে যাওয়া।
বিকাল হলে মাঠে গিয়ে কত রকমের খেলা! ডাংগুলি, সেন্ডেল ছি, সারাসারি, বউ ছি, আরো কত রকম খেলা। এসব খেলাধুলা তো এখন দেখাই যায়না। মাঝে মাঝে ঘুড়ি উড়ানো, ঘুড়ির কাছে চিঠি পাঠানো এগুলো আজো খুব মনে পড়ে।
রাত হলে উঠানে খেজুর পাতার পাটি বিছিয়ে দাদা-দাদির মুখে রূপকথা গল্প শোনা, এটাতো ছিলো কমোন কথা। রাতে উঠানে শুয়ে চাঁদের মিষ্টি হাসি দেখা, মিটি মিটি তারা গোনা, এগুলো আর এখন হয়না। এসব কথা গুলো আজো মনে পরলে হারিয়ে যাই অচিন অনুভূতি তে।





















