মোঃ শরীফুল ইসলাম : দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনে প্রত্যেকেই ঘরের বাইরে বের হতে হচ্ছে। ছেলে-মেয়েদের স্কুলে কিংবা কলেজে অথবা অফিসিয়াল কোন কাজে রাস্তা ঘাটে বের হয়।
বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন বিপদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। প্রত্যেকের জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে প্রতিনিয়ত। কিন্তু সে যাত্রা পথ টা নিরাপদ হওয়া সবচেয়ে জরুরি।
ঢাকায় প্রতি মাসে গড়ে ২০ থেকে ৪০টি ছিনতাইয়ের মামলা নথিভুক্ত হয়। উল্লেখ্য যে, অনেক ভুক্তভোগী পুলিশের কাছে মামলা করেন না বলে প্রকৃত ছিনতাইয়ের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
উন্নত জীবনে মোবাইল ফোন আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। বিশ্বায়নের যুগে মোবাইল ফোন ছাড়া এক দিনও কল্পনা করা যায় না। প্রতিনিয়ত যাত্রাপথে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনেকেই শখ করে মোবাইল ফোন কিনে উচ্চ মূল্য দিয়ে, এছাড়াও কারও কম দামের সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ছিনতাইকারীর কাছে সবই সমান লক্ষ্যবস্তু। বেশীরভাগ মানুষ তাঁদের প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য স্মার্টফোনের মাধ্যমে সংরক্ষণ করেন। ফলাফল স্বরূপ মোবাইল ফোন ছিনতাই হয়ে গেলে আর সহজে উদ্ধার করা সম্ভব হয় না। শুধু মোবাইল ফোন নয়; টাকা-পয়সা, স্বর্ণ অলংকারসহ বাদ যায় না কোনো কিছুই ছিনতাইকারীর কবল থেকে। যে কোনো মুহূর্তে বাসের জানালা কিংবা পথচারীর হাত থেকে পাখির মতো উড়ে যায় মোবাইল ফোন।
বিশেষত রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন, বিমানবন্দর, সদর-ঘাট, মোহাম্মদপুর, রায়ের বাজার ও গুলিস্থানে ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এই সড়ক গুলো দিয়ে যাতায়াত করা সাধারণ মানুষ সর্বদা ভয়াবহ আতঙ্কে থাকেন। প্রতিনিয়ত ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের তৎপরতা তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না। অনেকের শেষ সম্বল টুকু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত । বিশেষত রাজধানীর মোহাম্মদপুর, রায়ের বাজার, কমলাপুর রেলস্টেশন, বিমানবন্দর, বনানী, বংশাল , মালিবাগ, সদর-ঘাট ও গুলিস্থানে ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এই সড়ক গুলো দিয়ে যাতায়াত করা সাধারণ মানুষ সর্বদা ভয়াবহ আতঙ্কে থাকেন।
প্রতিনিয়ত ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের তৎপরতা তেমন একটা চোখে পড়ে না। ছিনতাইকারীর ছুরির আঘাতে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রাণ নাশের মতো ঘটনা ঘটে থাকে। প্রশাসনের উচিত নিয়মিত টহল দেওয়া। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, রাজধানীতে ছিনতাই রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন।
লেখক : শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ, ঢাকা।





















