চৌধুরী রুহাশ
ভিন্নতা খুঁজি,
রূপ নেয় না কোনো আকার—
আয়নার সামনে দাঁড়াই,
চিনতে পারি না নিজেকে আর।
চিহ্ন খুঁজি পথে পথে,
মিলিয়ে যায় মৃত্তিকা খুঁড়ে-
যা ধরতে চাই হাত বাড়িয়ে,
ছায়া হয়ে ভাসে দূরে।
মায়ার জালে বোনা এই পৃথিবী,
প্রতিটি ফুলে লুকানো বিষ—
আমি তার এক বিভ্রান্ত সুতো,
টানতে টানতে হারাই দিশ।
সুন্দর দেখি, স্পর্শ করি,
তবু কোথাও ফাঁকা লাগে—
মায়া পাগল এই মন আমার
শূন্যতার পেছনে ভাগে।
কে আমাকে সুখ বোঝাবে?
সুখের ভাষা জানি না তো আমি—
প্রতিটি হাসির নিচে চাপা
একটি নিঃশব্দ নামি।
দিন যায়, রাত আসে,
ঘুমের ভেতরেও জেগে থাকি—
প্রতিদিন কিছু একটা মরে,
বুকের ভেতর রেখে যায় ফাঁকি।
এ শোক মৃত্যুর পরের নয়,
মৃত্যু এখানে প্রতিদিন আসে—
শ্বাস নিই, তবু বাঁচি না,
যন্ত্রণা বুকে নিরন্তর ভাসে।
ভিন্নতা খুঁজি, বিচ্ছিন্ন হই না,
চিহ্ন খুঁজি, মেলে না সংজ্ঞা—
মায়াবী পৃথিবীর বুকে আমি
এক জীবন্ত মৃত্যুর প্রজ্ঞা।
ভিন্নতা খুঁজি
ভিন্ন হতে পারি না,
চিহ্ন খুঁজি
বিচ্ছিন্ন হতে পারি না।
মায়াবী সুন্দর পৃথিবী
আমিও মায়া পাগল লোক,
কে আমাকে সুখ বোঝাবে
আমার প্রতিদিনই হচ্ছে মৃত্যু পরবর্তী শোক।





















