মোহাজিদ হোসেন
সদীপ আহমেদ
একসাথে পড়তাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক কিলো দূরে মেস।
চেয়েছিল মেসের খাবারে খাবে কষ্ট হলেও।
দু-এক মাস গেল।
হঠাৎ দেখলাম রোজ খাওয়ার সময় ক্যাম্পাসের হলে যায়।
বললো হলে খাবার খেলে টাকা বাঁচে।
ক্যাম্পাস দূরে হওয়ায় সকালে খেতে আসতো না।
সেই টাকা বাঁচতো।
দুপুর রাতে আসতো রোজ।
অল্প মূল্যের খাবার টা খেত।
মেসের তুলনায় কিছু টাকা বাঁচতো।
কয়েকমাস পর মেস ছেড়ে হলে আসলো।
হলে র্যাগিং চলতো। ভয় পেত। তবুও আসতে হলো।
টাকা বাঁচলো।
গণরুমে জায়গা হলো।
এবার আর এক কিলো হাঁটার কষ্ট থাকলো না।
সকালে না খাওয়ার অভ্যাস হয়ে গেছে।
শেষ কবে সকালে খেয়েছে মনে নাই।
মনে হওয়ার দরকারও নাই।
মাঝে মাঝে দিনের মধ্যে শুধু দুপুরে খেত।
টাকা বাঁচতো।
পরের দিন খাওয়ার চিন্তা দূর হলো।
ক্যাম্পাসে সবার নতুন বন্ধু হলো। তার হলো না।
হলো শুধু চিন্তার সমুদ্র।
হলো বাস্তব উপলব্ধি।
বুঝলো জীবনের মানে।





















