মোঃ শরীফুল ইসলাম : ঢাকা কলেজ বাংলাদেশের স্বনামধন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । ২০২৫ সালে অন্তবর্তী সরকার বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছে। তন্মধ্যে ঢাকা কলেজ এ ক্যাটাগরির মধ্যে প্রথম স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে । উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সব মিলিয়ে এখানে প্রায় ২০ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। সময়ের পরিবর্তনে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে বহুগুণ, কিন্তু সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে
বৃদ্ধি পায়নি সেবার মান।
প্রত্যন্ত গ্ৰামাঞ্চল থেকে প্রতিবছর হাজার-হাজার শিক্ষার্থী প্রজন্মের পর প্রজন্ম ঢাকা কলেজে এসেছে জ্ঞানের সন্ধানে। ঢাকা কলেজ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত তার মধ্যে অন্যতম বহিরাগত প্রবেশ। ঢাকা কলেজ সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই এই সমস্যাটি চলমান রয়েছে। ১৮৪ বছর প্রতিষ্ঠার পরেও ক্যাম্পাসে বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি।
অত্যন্ত দুঃখের বিষয় বর্তমানে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবাধ বিচরণ ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করছে। প্রায় সময় তারা ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা তৈরি এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। অনেক সময় শোনা যায়, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়ে যায়, যার ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।
ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাস শুধু ছেলেদের জন্য নির্ধারিত। অতএব, মেয়েদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ হওয়া দরকার। প্রায় সময় দেখা যায়, ছেলে-মেয়ে হাত ধরে ক্যাম্পাসে বিচরণ করছে। বিশেষ করে ঢাকা কলেজের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অসংখ্য বহিরাগতদের প্রবেশ দেখা যায়। জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। সেই স্থানে বহিরাগত প্রবেশ যে কোনোভাবেই কাম্য নয় যা কলেজের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করে।
ক্যাম্পাসে প্রবেশের সময় আইডি কার্ড প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক এবং কঠোর নজরদারির আওতায় আনা জরুরি । ঢাকা কলেজে বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকা কলেজ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিন।
লেখক : শিক্ষার্থী,ঢাকা কলেজ, ঢাকা।





















