কাজী.এস.আর.রাশিদা
যে উপন্যাসের প্রতিটি পাতার গায়ে ছিল বিরহের ছাপ
সে কাল্পনিক চরিত্রের অস্তিত্বের ছায়া পাবে কি কখনো মাফ;
ধোঁয়াশায় ঢেকে যাওয়া ধূসর পারদের চাপ
সে অস্তিত্বের গায়ে প্রতিনিয়ত নিষ্পলক উপমায় মাখে পাপ।
উষ্ণ মরুর বুকে উষ্ণতারই তাপ
একলা বিজন রাতের অনুকূলের প্রতি ধাপ;
অনুকম্পনের ভয়ে বলে ওঠে বাপ বাপ
নিশীথিনীর পাঁজর ভাঙে একটু আধতু হাফ।
রহস্যে ঘেরা সে ডেরা ছোবলে ফোস করে ওঠে সাপ
নিরবচ্ছিন্ন সে প্রহরে কূল ছেড়ে তীরে আসা ছিল টাপ;
আবছা আলোর আবছায়ায়
আঁধারের কোলে জ্যোৎস্না দেয় লাফ
শিশিরের বাষ্পে দাঁড়িপাল্লায় অর্ণবের মাপ।
বেমালুম হেরে গিয়ে মেজাজের পরিশ্রান্তে খোঁজে ধোঁয়া ওঠা সে চা এক কাপ
মস্তিষ্কের মগজ ধোলাইয়ে খাপছাড়া উর্বরমস্তিষ্কে মিলে যদি খাপ;
রাতেরাও শপথ নিবে চাঁদের কলঙ্ক মুছে দিয়ে করবে কলঙ্ক সাফ
শেষ রাত্রির বিষাদের গণ্ডি পেরিয়ে মৃত্যুর কারাবাস ছেড়ে জোনাকিরা করবে প্রকৃতির নির্জনতায় নতুন রাফ।




















