banglapatro

banglapatro

পথের মায়া

ইমাম হোসেন সবুজ “পথ আমায় নিয়ে যায়,নতুন পথের সন্ধানে।গৃহ আর ভালো লাগেনা,ভবঘুরে এই মন টানে!পথের ওপাশে একরাশ কলমি লতার মায়া,কিছু রোদ্দুর, কিছু বৃক্ষরাজীর নিষ্পাপ ছায়া।বিলিয়েছে প্রকৃতি, সাজিয়েছেন বিধাতা।সবই যেন অপরিসীম শক্তি,কুল কায়ানাত তব কায়া।পিপাসিত অন্তর,ছুটছি কেবলই নিরন্তর।শুধুই পথের টানে।অদূরে পল্লীর…

নিঃশব্দ চিৎকার

রানা সোহেল ল্যাম্পপোষ্টের আলোয়তোমার চিঠিঅক্ষরগুলো জ্বল জ্বল করে জ্বলছে,,বোবা এ শহরটাখুলে ফেলে ঘোমটা,দুঃখবতী ছায়া এসেমাতাল সে প্রেমে মেশেহতভম্ব কবিতা বলছে।আর আমিনিঃশব্দ চিৎকারেতোমারেধ্যান করি।মরি মরিআহা মরি।।। রাতের আঁধার জোছনা গিলে খায়,বুক পকেটে দুটানা মন পিষে যায়।ছাপোষা এ সময়েভুলে যাওয়া প্রণয়েদিশেহারা সুর…

কদম ফুলের ঋণ

চৌধুরী রুহাশ রুহ ছিঁড়ে বেরিয়ে আসে সহস্র পায়রা,তোমার কথার ঝড়ে —ছিটকে পড়ে মন,রক্তাক্ত ডানায়মেলে দেয় শেষ বয়স। কত খুনসুটি ক্ষত আঁকেচাঁদের রেলিঙে, নীরবে —তারার হাটে কুয়াশা হয়ে হেঁটে যায়মেঘেদের অপ্রকাশ সওদা।সূর্যের বন্ধ দরজায় কড়া নেড়ে যায়বিগত জন্মের কদম ফুল। সেই…

প্রেমমঙ্গল

রানা সোহেল মেঘদূত দুঃখ দিবি? দেনা,আমার সময় দুঃখ দিয়ে কেনা।অফুরন্ত সময় আমারকষ্ট দিয়ে ঢাকা,চাইলে তুই দিতে পারিসবিষাদ ব্যাথা মাখা।।শুন্য হাতে ফিরিয়ে দিবি?দেনা,শুন্যতাতে ভাসার মতোঅনেক ঢেউয়ের ফেনা।অসীম নীলে ভাসতে ভাসতেশঙ্খ চিলের মতো,আমার বুকে তোরই দেয়াআঁধারী এক ক্ষত।ভালোবেসে সেই ক্ষতের ভেতরঅবিরত হাটি,আর…

তোমারও অলক্ষ্যে

প্রিয়দর্শিনী রইবো আমি তোমার চিরদিনমৌনতায় যদিও হয়ে কাতরতোমারও অলক্ষ্যেওই হাসিরও আড়ালে….তবুও আমায় পেছনে ফেরালে!!! খেলা করে যায় সে অনর্থককারণে অকারণে??এই আমার বেখেয়ালি চিত্তে,,,তবে রয়েছে তার অহম বোধ!!তা জেনেও পেয়েছে স্থানআমার মনের কুঞ্জভবনে…….. আজ এই আঁখিতলেসেই নামটি নিয়েদিয়েছি সকল কালিকার বিষাদ…

মা-মাটির খোকা

হৃদয় রাজ বাড়ৈ এসেছিল বলে বাংলার খোকাবাংলা মায়ের কোলে,আজও বাংলার মাটির ঘরেস্বাধীনতার শিখা জ্বলে। হেসেছিল বলে একটি শিশুমায়ের আঁচলতলা,সেই হাসিতেই মুক্তা ঝরাবাংলা সুজলা সুফলা। ধরেছিল বলে মাঝি হয়ে সেইবাংলার নায়ে হাল,বাংলার বুকে উড়ছে আজওলাল সবুজের পাল। ছিল বলে এক কৃষকের…

দুষ্টু লোকের মিষ্টি বোল

কাজী.এস.আর.রাশিদা মিষ্টভাষী-মধুর হাসিঅন্তরের যার বিষ;কথার ছলে-হৃদয় গলেদেয় রে মোহের শিস। যখন ঝোঁকে-দুষ্ট লোকেমনে নানান ছল;পড়লে ফাঁদে-সবাই কাঁদেঝরে চোখের জল। ভুরি ভুরি -ছলচাতুরিমুখে মিষ্টি বোল,হলে হাসিল-তোলে প্রাচীলখোঁজে স্বার্থের কোল! অর্থের গন্ধে-নতুন ছন্দেধরে সাধুর বেশ,অর্থ পেলে-ডানা মেলেভাঙে মোহের রেশ। থাকতে ঢাকো-যদি হাঁকোঅসৎ…

পিশাচের চোখ

কাজী.এস.আর.রাশিদা সমাজ মাঝে- সকাল সাঁঝেদেখি নানান লোক;হলেও মানব- রূপে দানবযেন পিশাচ চোখ! মানুষ রূপে- আসে চুপেক্ষুধার্তের এক দল;বিবেক ভুলে-কুঁড়ি ফুলেনোংরা করে জল। ওরে মানব-হলে দানবনেই রে পুষ্পের ছাড়!অসুর হয়ে-ছোট্ট ছয়েবিঁধে ক্ষুরের ধার। নতুন ভবে-এই কি তবেস্বাধীনতার ঘ্রাণ?পলাশ কুঁড়ি-বৃদ্ধা বুড়িহারায় সবাই…

প্রেমাঙ্গম

চৌধুরী রুহাশ আঙ্গুলে আঙ্গুলে সঙ্গম,শব্দগুলো ডুব দেয় তোমার মুঠোয়,ডানা মেলে ঘুম খুঁজে চোখের চাদরে।রাত হয়ে উঁকি দিতে ইচ্ছে করেতোমার জানালায়।মৃদু বাতাসে ভেসে আসেঅচেনা এক নিশ্বাসের গন্ধ,মনে হয়—তুমি ঠিক কাছেই আছো,নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে আছোআমার অনুচ্চারিত বাক্যের পাশে।চাঁদের আলোয় ভেজা আঙিনায়তোমার ছায়া পড়লেআমার…

বিবরণ

উড়নচণ্ডী (সাঈদী বোরহান) সুবেহ্ সাদিকে উদিত সূর্যের মতো মুখ তার অথবা পূর্ণিমার চাঁদ।ললাট তার মগরিবের রক্তিম আকাশ—আরও ‘পরে কাজলকেশী চুল;পূবের হাওয়া লাগলে পরে সামলানো ভার। আঁখি জুড়ো হরিণীর ন্যায়; সতর্ক—যেন বেঁচে ফিরে শিকারীর ফাঁদ।ঠোঁট যেন গোলাপের পাপড়ি—স্নিগ্ধ ফুটন্ত ফুল।অবয়ব—শিল্পীর সুনিপুণ…

নীল কষ্ট

       মো. মাসুদুল ইসলাম তুমি আমাকে আকাশ দিতে পারতে  সাথে মেঘে ভরা জল আমি অঝোর ধারায় বৃষ্টি ঝরাতাম  চোখের পাতায়!  তুমি আমাকে দক্ষিণা বাতাস দিতে পারতে  আমার এলোচুলে বসন্তেরা খেলা করতে পারতো।  তুমি আমাকে ভালোবাসা দিতে পারতে  আমি জ্বলে জ্বলে অঙ্গার…

খোকার সংকল্প

কাজী.এস.আর.রাশিদা মায়ের খোকা-নয়তো বোকাসংকল্প তার মনে;যাবে হেসে-বীরের বেশেদেশ স্বাধীনের রণে। হাসি মুখে-দাঁড়ায় রুখেমায়ের চরণ ধরে;যুদ্ধেতে যায়-দোয়াতে মায়অশ্রু শুধু ঝরে। দেশের দেনা-শত্রু সেনামুক্ত করার তরে;প্রীতি ভুলে-অস্ত্র তুলেকঠিন লড়াই করে। অবশেষে-বুলেট এসেবিঁধলো খোকার বুকে;মাটির বুকে-খোকা লুটেতবু হাসি মুখে। যুদ্ধ শেষে-জয়ে হেসেফিরলো না…

আক্ষেপ

হুসাইন আহমাদ হায় আল্লাহ! হায় আল্লাহরে!!কোন দুনিয়ায় পাঠাইলা আমারে! নারীজাতি কাপড় পরেঅর্ধ শরীর খুইলা রে।আবার তারা পুরুষেরই উপরশোষণ করে রে। হায় আল্লাহ! হায় আল্লাহরে!!কোন দুনিয়ায় পাঠাইলা আমারে! যাদের হুকুম লম্বা চুলেরকাইটা করে খাটো রে,শার্ট প্যান্ট পরিয়া আবারকোমর দোলায় হাটে রে।…

ঈদের খুশি

হুসাইন আহমাদ বাঁকা চিকন চাঁদ উঠেছে,নিল আকাশের পানে,খুশির হাওয়া বইছে দেখোসবার ঘরের কোনে। মুমিন বান্দা রাখছে রোজা,মাহে রমজান মাসে,তার প্রতিদান পাবে তাঁরাঈদগাহেতে এসে। পাবে ক্ষমা সকল পাপের,এই তো আশা রোজাদারের,সেই খুশিতে পাগলপারাসকল মুমিনদারের।

চান্দরাত

রানা সোহেল মেঘদূত চান্দ রাতের চানতুমি দিয়ে টানআনো আনন্দের বান,,তুমি উল্লাসেবাঁধো বাতাসেঈদের সুখের গান। শিশুমুখে হাসির ফোয়ারাজল স্নাত যেন সাহারাদুঃখ ভুলে সুখ সাতার,ঘরে ঘরে মৌ মৌ গন্ধপথে ঘাটে একই ছন্দধনি গরীব এক কাতার,হাওয়ায় ভাসে সুগন্ধী ঢেউবুকে বুকে মায়া কলতান,। চিকন…

চৈত্রের খরা

কাজী.এস.আর.রাশিদা ফাগুন শেষে চৈত্র আসেতপ্ত রোদের মেজাজ নিয়ে;সারা দুপুর কাঠফাটা রোদগরম করে দিচ্ছে শিঁয়ে। আহা! কি যে বীভৎস রূপশরীর ঘামে উষ্ণ তাপে;তীব্র তাপের বহ্নিশিখায়গা জ্বলে যায় গরম ভাঁপে। ক্রুদ্ধ প্রকোপ নেইতো ছায়ারোদে পুড়ে মরুর খরা;প্রভঞ্জনের শীতল বায়েভরে উঠুক সবুজ ধরা।…

ঈদ মোবারক

হৃদয় রাজ বাড়ৈ গগন কোণের ফুল কাননেচন্দ্র কলি ফোটে,চন্দ্র ফুলের সেই কাননেরমজানের চাঁদ ওঠে। রূপে ঘেরা চন্দ্র ফুলেরসুভাস মাখা আলো,রমজানের ঈদের দিনেঘুচায় আঁধার কালো। রমজানের রোজা শেষেদেখে বাঁকা চাঁদ,মসজিদে মুসলিমগনকরে মোনাজাত। হিংসা বিভেদ ভুলে তারাকরে কোলাকুলি,নামাজ আদায় করে তারাদুটি বাহু…

ঈদের দিন

হুসাইন আহমাদ চাঁদ উঠেছে, ঈদ এসেছে,এলো খুশির দিন,দেখো সবার ঘরে ঘরেআনন্দ রঙিন। নতুন কাপড় পড়ে সবাইঈদগাহে গিয়ে,এক কাতারে পড়বো নামাজসকলে মিলে। নাই ভেদাভেদ কারো সাথেশত্রু আর মিত্রু,করবো দোয়া সবে মিলেআল্লাহর তরে। চাইবো নাজাত তাঁহার তরেহাত দু’টি তুলে,ঈদের খুশি নিয়ে সবাইভুলবো…

জলের মহিমা

হৃদয় রাজ বাড়ৈ তুমি সবার পিয়াস মেটাওধন্য তুমি জল,তোমায় পান করিলে প্রাণ বাঁচেতুমি অমৃত ফল। কেউ বলে জল – অম্বু- বারি,কেউ বা বলে পানি,যে নামে যে ডাকুক তোমায়সবাই মোরা চিনি। পুকুর, কুয়া – সাগর, নদী,নলকূপেতে থাকো,বৃষ্টি হয়ে মর্তে নেমেজীবকে সতেজ…

পঞ্চদশ পর্ব ভাঙ্গা বিশ্বাসের শহর

ভাঙ্গা বিশ্বাসের শহর সোনিয়া আবেদীন তাবিন্দা মহল খুব সুন্দর করে সাজিয়েছে,তিনচার দিন পরে বাড়ির মালিক উঠবে ।নাজিম বাড়িটার দিকে তাকিয়ে চলে যায়, রুপাকে নিয়ে হাসপাতালে যাবো। আজিম বাগানে বসে আছে তখন নায়না বাড়িতে ডুকে, চাচাকে উদাস হয়ে বসে থাকতে দেবে…