রানা সোহেল মেঘদূত
(জন্মের প্রয়োজনে ছোট হয়েছি।
মৃত্যুর প্রয়োজনে
বড় হচ্ছি)–
কবি নির্মলেন্দু গুনের কথাগুলো জীবনঘন।
বড় হচ্ছি ভালোবাসার বৈতরনী বেয়ে।
তোমার গাঙে।
মৃত্যুর কাছে যাচ্ছি ভালোবাসার স্বপ্ন নিয়ে।
তোমাকে বলেছি কত করে কতবার।
ভালোবাসার কথা!
হয়না হয়তো কবির মতো,,
(ভালোবেসে যাকে ছুই
সেই যায় দীর্ঘ পরবাসে।)
কী অদ্ভুত!
সহসা শব্দগুলো সত্য হয়ে উঠে।তোমার চিলেকোঠার চৌকোণে যে ক্যাকটাস লজ্জামাখা কাঁটা নিয়ে নুয়ে আছে
ওখানটায় আমার হৃদয় কবিতা বোনে।
তুমি এখনো অবুঝ পাতাদের দলে।ইচ্ছেভোলা।
ঝরাপাতারা বিকেলের কার্নিশে লুটিয়ে পড়ে
পলাতক অতীত ছুয়ে।
তুমি এখনো ঘাসের নরোম ঘ্রানে ওড়াও সুর।
আর অর্গানে বেসুর তাল আমার।
এ সুরে আকুতি তবু–
(একবার তোমাকে ছুব
তারপর হবো ইতিহাস।)
ছুতে পারিনি ক্যাকটাস,
ছুতে পারিনি সময়।
তোমাকে ছুতে সাহসী ডানা জন্মালোনা আর।
পাখি হতে আর কত প্রেম লাগে বলোতো?
রোদ্দূর হতে চেয়ছিলো অমল।
মেঘ হয়ে আছি আমি আকাশের এক চিলতে কোণে।হাওয়ারা আঘাত হানে উজানে উজানে।
ভালোবাসারা লেপ্টে থাকে কবিতার ভাজে।
আঁকার খাতায় হিজিবিজি।
জীবন।সময়।
হিজিবিজি স্বপ্ন ধ্বস।
ফুসফুসে
থেকে যাওয়া না ফোটা কথা
যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় মত্ত।
(আমি বলছিনা ভালোবাসতেই হবে।
ঘরের ভেতর থেকে কেউ একজন দরজা খোলে দিক।)
কি আর জীবন।
খোলা দরজায় ভেতরে পা ফেলি।
দরজার আড়ালে তুমি নও।
ছায়া। ছায়া।ভ্রম।
ঝাপসা দৃস্টি।
ভ্রমে বিভ্রমে তুমি।
কেবল এক ছায়া।
এ শহরে কোন গলিতে তোমার বাড়ি,
কোন ছাদে শুকোতে দাও ওড়না তোমার।
কোন সেলফোনে কথা বলো প্রয়োজনে,
কোন সড়কে চলতে থাকো রোজ বিকেলে।
ঠিকানা নেই তোমার।ঠিকানাবিহীন তোমার খুজে নিখোজ আমি।
আমাকেই পাইনা আমি আমার মাঝে।
বিলবোর্ডে হাসে বিপাসা বসু।
আকাশ হারা এ শহরে এ হাসিটা বড্ড রোমান্চকর।
১৮+ ছেলেগুলো লুফে নেয় হাসিটা
নিয়ন আলোর নীল আলোতে।
আমি খুজি অন্য হাসি।
দাগ কাটা মুখের হাসি।
আস্থার হাসি।
নির্লোভ আর বড্ড অকৃত্রিম।
না।
কোথাও কেউ নেই।
দূর থেকে ভেসে আসে
ছায়া ছায়া হাসি।
হাসি হাসি ছায়া।
স্পর্শহীন ছোঁয়ায় ।
নিঃশব্দ চিৎকারে।
মৃত্যুর প্রয়োজনে ভালোবাসা।
শূন্যতা স্পর্শ করছি এখন
আমাকে স্পর্শ করছি এখন।
তোমার না থাকা জুড়ে।।


















