বাক্সবন্ধী ভাবনা


রানা সোহেল মেঘদূত

তোমাদের শহরের বাক্স বাক্স বাড়ি,
সে জানালার গ্রীলে বেড়ে উঠে লতা পাতার ডগার নির্যাসে
কার যেন ভালোবাসা।
তোমাদের শহরে রাস্তায়,
নিয়ন আলোর ফিনকিতে
কার যেন প্রেম লুটো পুটি খায়।
তোমাদের রাস্তায়
জোছনার আলো ছায়ায়,,
তোমাদের ফুটপাতে
দেয়ালে আর আঁধার গলিতে
কয়েকটা ভাঙা চোরা স্বপ্নের
চারাগাছ,,,
মৃতপ্রায়,,।
আমি সে শহরে আগন্তুক
আমি সে শহরে গোপন প্রেমিক।
তোমাদের শহরের কোনো এক বাড়িতে
কোনো এক বালিকা,,
আমার সমুদ্দূর
খাপছাড়া কবিতা
আমার পাথর সময়
এলেবেলে বোহেমিয়ান গান।
তোমরা হয়তো এই শহরের বুকে
বাজার সওদা চাকরী আর লেখাপড়ায় মশগুল,
তোমরা হয়তো এ শহরে
খেলাধুলা আর বৈকালিক হাটাহাটিতে ব্যস্থ।
আর আমি উদভ্রান্থ শরীরে
হৃদয়ক্ষরণ নিয়ে তার জন্য
চষে বেড়াই পুরো শহর।
আমাকে দেখেও
তোমরা দেখো না।
আমাকে বুঝেও
তোমরা বুঝো না।
তোমাদের শহরকে আমি বড্ড ভালোবাসি।
কারণ,,
কয়েকছত্র আগেই লিখে দিয়েছি।
“”যে শহরের বাক্সে তার বসতি
সে শহর আমার বড্ড ভালোবাসার।””।।
তোমরা কি প্রার্থনা করতে পারো?
সে যেন গ্রহণ করে আমাকে,
আমি যে নতজানু
অর্বাচিন এক।
এই শহর সবুজে,
বাক্স বাড়ী,
হৃৎপিন্ডে,
ভালোবাসা জোছনায়
লুটোপুটি খায়।
আমাকেও খায়
বিষন্নতা,,বিষাদেরা।
প্রেমে পড়েছি তোমাদের শহরের কোনো একজন
মানুষের।
আর সে আমি
তোমাদের শহরে ঝরে পড়া নিউটনের সেই আপেল।
ভাবতে পারো।
আপেলটা
উপর থেকে পড়লো কেন?
লোকটা তার প্রেমে পড়লো কেন?আপেল পড়াতে
মধ্যার্কষন শক্তির ধারণা আসে,
আর প্রেমে পড়াতে কি ভরঘুরে দুঃখকাতর নিঃসঙ্গতার ধারনা দেয়!
আমি যে তোমাদের শহরে নিঃসঙ্গতাকে যানবাহন করে
তাতেই চড়ি।
চলছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *